Header Ads Widget

Responsive Advertisement

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের নিয়ম । how to pay income tax online in bangladesh | tax | NBR

 

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের নিয়ম । how to pay income tax online in bangladesh | tax | NBR



ভুমিকাঃ
Income Tax বা আয়কর দেওয়া একটি দেশের প্রতিটি  নাগরিকের দায়িত্ব। একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক উন্নয়ন, অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, নিরাপত্তা বাহিনীর বেতন-ভাতা সহ অনেক কাজের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের একটা বেশ বড় অংশই আয়কর থেকে আসে । বাংলাদেশে সময় বা নিয়ম অনুযায়ী আয় ও সম্পত্তি প্রদর্শন না করার জন্য/ কর পরিশোধ না করার জন্য জেল-জরিমানাও গুনতে হয়। তাই নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে আয়কর দেওয়া ও আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া সকলেরই উচিত। কিন্তু আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার নিয়ম, আয়করের প্রয়োজনীয় পরিমান, কাদের জন্য আয়কর প্রযোজ্য কাদের জন্য প্রযোজ্য নয় এসব তথ্য না জানার কারণে অনেকেই অনেক ধরনের ভোগান্তিতে পড়েন। তাই আজকের এই ব্লগে  আয়কর রিটার্ন দাখিল করার বিস্তারিত নিয়ম বর্ণনা করা হলো ।


What is income tax/ e returns ?

 নির্দিষ্ট আয়কারী সকলকেই তাদের বাৎসরিক আয় অনুযায়ী আয়কর দিতে হয়। এবং আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ অনুযায়ী প্রতি বছরই একজন করদাতার বাৎসরিক আয়ের যাবতিয় তথ্যা বাংলাদেশ রাজস্ব বোর্ডের একটি নির্দিষ্ট ফরমের মাধ্যমে nbr কে দেখাতে হয়। আয়কর কর্তৃপক্ষ  সেটি অনুযায়ী আয়করের পরিমাণ নিশ্চিত করে । করদাতার এই আয়, ব্যয় ও সম্পত্তির সম্পর্কে কর অধিদপ্তরকে জানানোর বিষয়টিই হলো আয়কর রিটার্ন  বা e returns  ।

আরো দেখুন


কারা আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে?

 সাধারণত টিন সার্টিফিকেট ধারী সকলেই আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারেন। কিন্তু আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে করযোগ্য আয়ের ভিত্তিতে রিটার্ন জমা দেওয়া দেশের সবার জন্য বাধ্যতামূলক প্রথা চালু আছে ।



কর ও রিটার্ন হিসাবের খাতসমূহ

বাংলাদেশে সাধারণত কর যোগ্য আয় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে বাধ্যতামূলক ভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হয়। করযোগ্য আয় সাধারণত নির্দিষ্ট কিছু খাতের আয় থেকে হিসাব করা হয়। 

খাতগুলো হলোঃ

  • কোন চাকরি থেকে প্রাপ্ত বেতনাদি
  • নিরাপত্তা জামানতের উপর সুদ
  • কৃষি ক্ষেত্রে বা কৃষি কাজের আয়
  • বিভিন্ন ব্যবসা থেকে আয়
  • অন্য কোন পেশার আয়
  • নির্দিষ্ট মূলধন থেকে প্রাপ্ত মুনাফা
  • গৃহ সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত আয়
  • মূলধনী মুনাফা
  • অন্য কোন উৎস থেকে পাওয়া আয়

এসকল উৎস থেকে করা আয় বৎসরে নির্দিষ্ট একটি পরিমাণ অতিক্রম করে গেলেই ঐ ব্যক্তিকে আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক ভাবে জমা দিতে হবে।


আয়কর ও রিটার্ন দাখিলের জন্য নূন্যতম আয়/income

এদেশে নারী-পুরুষ ও অন্যান্য কিছু বিশেষ ক্ষেত্র আয়কর নিম্নসীমা এখানে  উল্লেখ করা হলোঃ

  • স্বাভাবিক ও ৬৫ বছর বয়সের কম বয়স্ক পুরুষের ক্ষেত্রেঃ
বাৎসরিক আয় ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকার বেশী হলে আয়কর রিটার্ন প্রযোজ্য
  • স্বাভাবিক মহিলা ও ৬৫ বছরের বেশী বয়স্ক পুরুষের ক্ষেত্রেঃ
বাৎসরিক আয় ৩,৫০,০০০ (তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকার বেশী হলে আয়কর রিটার্ন প্রযোজ্য।
  • প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ক্ষেত্রেঃ
বাৎসরিক আয় ৪,৫০,০০০ (চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকার বেশী হলে আয়কর রিটার্ন প্রযোজ্য

  • গ্যাজেট ভুক্ত  মুক্তিযোদ্ধার ক্ষেত্রেঃ

বাৎসরিক আয় ৪,৭৫,০০০ (চার লক্ষ পঁচাত্তর হাজার) টাকার বেশী হলে আয়কর রিটার্ন প্রযোজ্য

এছাড়াও 
প্রতিবন্ধী সন্তান 
বা পোষ্য রয়েছে এরকম কোন পরিবারের ক্ষেত্রে আয়কর নিম্নসীমা বৃদ্ধি পাবে। 

আরো দেখুন





যাদের আবশ্যিক ভাবে রিটার্ন দাখিল করতে হবে 

উপরের তালিকাগুলো ছাড়াও আরো কতগুলো ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা আবশ্যিক। এগুলো হলোঃ

  •  কেউ ১২ ডিজিটের টিন সার্টিফিকেট গ্রহণ করলে ।

  • পূর্ববর্তী তিন বছরের যেকোন বছরে যদি করদাতার আয় করযোগ্য হয়ে থাকে অথবা করদাতার কর নির্ধারণ হয়ে থাকে ।
  • করদাতার আয় যদি অব্যাহতি প্রাপ্ত অবস্থায় বা কমে গিয়েছে এরকম অবস্থায় করযোগ্য হয়ে থাকে ।
  • করদাতা যেকোন ধরনের মোটর গাড়ির মালিক হলে ।
  • করদাতা ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করেছেন এরকম ব্যবসায়ী হলে ।

  • করদাতা মূল্য সংযোজন কর আইনের অধীনে নিবন্ধিত কোন ক্লাবের সদস্য হলে ।
  • করদাতা কোন সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা স্থানীয় সরকারের টেন্ডারে অংশগ্রহণ করলে ।
  • করদাতা কোন কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে থাকলে ।
  • করদাতা লাইসেন্স করা অস্ত্রের মালিক হলে ।
  • করদাতা কোন কোম্পানির শেয়ার হোল্ডার হলে ।
  • করদাতা কোন ফার্মের অংশীদার হলে ।
  • কোন সরকারি কর্মচারী বা কর্মকর্তার বেতন বছরের যে কোন সময় ১৬,০০০ টাকা বা তার বেশী হলে ।
  • করদাতা কোন নির্বাহী বা ব্যবস্থাপনা পদের কর্মী হলে ।
  • করদাতা মোটরযান, স্থান, বাসস্থান বা অন্যান্য সম্পদ সরবরাহের মাধ্যমে শেয়ারড ইকোনমিক এক্টিভিজ-এ অংশগ্রহণকারী হলে ।
  • করদাতা চিকিৎসক, দন্ত চিকিৎসক, আইনজীবী, চার্টার্ড একাউন্টেন্ট, একাউন্টেন্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি, সার্ভেয়ার অথবা সমজাতীয় কোন পেশায় পেশাজীবী হিসেবে কোন স্বীকৃত পেশাজীবী সংস্থায় নিবন্ধিত থাকলে ।
  • করদাতা আয়কর পেশাজীবী হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে নিবন্ধিত থাকলে।
  • করদাতা কোন শিল্প বিষয়ক চেম্বার বা কোন ব্যবসায়িক সংস্থার সদস্য হলে ।
  • করদাতা কোন সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার নির্বাচনে বা সংসদ সদস্য নির্বাচনে প্রার্থী হলে ।

যাদের আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে না 
 তার তালিকা হলোঃ
  • বাংলাদেশে ফিক্সড বেস নেই এমন অনিবাসিকে।
  • জমি বিক্রয়ের জন্য ১২ ডিজিটের টিন গ্রহণ করেছেন, কিন্তু করযোগ্য আয় নেই এরূপ ব্যক্তিকে।
  • ক্রেডিট কার্ড গ্রহণের জন্য ১২ ডিজিটের টিন গ্রহণ করেছেন, কিন্তু করযোগ্য আয় নেই এরূপ ব্যক্তিকে।

আয় অনুযায়ী করের হার

বাংলাদেশে সাধারণত প্রতি বছরই বাৎসরিক আয় অনুযায়ী আয়কর প্রদান করতে হয়। কোন ব্যক্তির বাৎসরিক আয় আয়কর নিম্নসীমা অতিক্রম করলেই তাকে প্রতি বছর অবশ্যই কর দিতে হবে। তবে যদি কোন ব্যাক্তি আয়কর নিম্নসীমা অতিক্রম না করে তাহলে তাকে জিরো ট্যাক্স রিটার্ন বা শূন্য আয়কর রিটার্ন দিতে হবে। এখানে আয় অনুযায়ী আয়করের হারের তালিকা দেওয়া হচ্ছেঃ



 সাধারণভাবে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের নিম্নলিখিত প্রক্রিয়া:




১. আয়কর পোর্টাল প্রবেশ করুন: প্রথমে সরকারি আয়কর বিভাগের অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ করুন। আপনি যদি এখনও একটি অ্যাকাউন্ট না থাকেন, তবে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।


২. ই-ফাইলিং সেবা নির্বাচন করুন: আয়কর পোর্টালে লগইন করার পর, আপনাকে আপনার ইচ্ছিত ই-ফাইলিং সেবা নির্বাচন করতে হবে। এটি হতে পারে ইটিআর, সলভ, ব্যক্তিগত ইটিআর ইত্যাদি।

৩. আইটি রিটার্ন (আইটিআর) বা সল্ভ রিটার্ন নির্বাচন করুন: আপনি যদি ব্যবসা বা ব্যবসায়িক আয় থাকে তবে আপনাকে আইটি রিটার্ন (আইটিআর) সেবা নির্বাচন করতে হবে। এটি ব্যবসায়িক আয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। যদি আপনি ব্যক্তিগত আয়ের জন্য রিটার্ন দাখিল করতে চান, তবে সলভ রিটার্ন সেবা নির্বাচন করতে হবে।

৪. আপনার আয় তথ্য প্রদান করুন: রিটার্ন ফর্ম পূরণ করার জন্য, আপনাকে আপনার ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক আয়ের সম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করতে হবে। আপনি আপনার মাসিক বা বার্ষিক আয়ের বিশদ প্রদান করতে হতে পারেন, যেমন বেতন, ব্যবসায়িক লাভ, বা অন্যান্য সোর্স থেকে আয় ইত্যাদি।

৫. হিসাব প্রমাণ করুন: সঠিক আয় প্রদান করার জন্য, আপনাকে আপনার আয়ের হিসাব প্রমাণ করতে হবে। এটি আপনার আয়ের স্রোত থেকে বেতন স্লিপ, ব্যবসায়িক লেনদেন, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ইনভয়েস ইত্যাদির মাধ্যমে করা যেতে পারে।

আরো দেখুন


অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রক্রিয়া শেষ করলে নিশ্চিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য এবং দলিলপত্র সঠিকভাবে সাবমিট করেছেন। সাধারণভাবে, আয়কর বিভাগ এবং সরকার আপনার রিটার্নটি পর্যালোচনা করে এবং আপনাকে ই-মেইল অথবা মেসেজের মাধ্যমে রিটার্ন স্বীকৃতি অথবা অবগতি প্রেরণ করবে। যদি কোনো অবৈধ তথ্য অথবা ত্রুটি থাকে তবে তা সংশোধন করার জন্য আপনার সাথে যোগাযোগ করা হতে পারে।

এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর, আপনি আয়কর বিভাগের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন যদি কোনো প্রশ্ন বা সমস্যা থাকে। বিশেষভাবে আপনি আপনার রিটার্ন স্ট্যাটাস পর্যবেক্ষণ করার জন্য অনলাইন পোর্টালে লগইন করতে পারেন, যেখানে আপনি আপনার সাবমিট রিটার্নের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।


  • আয়কর রিটার্ন যাঁদের দিতে হবে ?

আয়কর আইন অনুযায়ী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্ধারিত ফরমে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হয়। করদাতার বার্ষিক আয়, ব্যয় ও সম্পদের তথ্য নির্ধারিত ফরমে উপস্থাপন করাই হচ্ছে আয়কর রিটার্ন। যাঁদের ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নম্বর বা টিআইএন রয়েছে, তাঁদের আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। আয়কর রিটার্নে সরকার নির্ধারিত একটি ফরমে করদাতা তাঁর আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের তথ্য লিখে কর কার্যালয়ে জমা দেন। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের করদাতাদের জন্য আলাদা রিটার্ন জমা দিতে হয়।


রিটার্ন দাখিল করলেই যে আয়কর দিতে হবে, তা নয়। কারও আয় যদি করযোগ্য না হয়, তাহলে তাঁকে কর পরিশোধ করতে হবে না, শুধু রিটার্ন জমা দিলেই হবে। যে বছর আয়কর দেবেন, তার আগের অর্থবছর অর্থাৎ, গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত আয়-ব্যয়ের হিসাব করে ২০২২ সালের আয়কর দিতে হবে।




নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশি কোনো নাগরিকের বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও যাতায়াত ভাতা বাদ দিয়ে বছরে তিন লাখ টাকার বেশি আয় হলেই তাঁকে আয়কর দিতে হয়। এ ছাড়া মূল বেতন ১৬ হাজার টাকার বেশি হলেই কর দিতে হবে। আয়কর দেওয়ার জন্য তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি, নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী করদাতার আয় বছরে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি, গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা করদাতার আয় বছরে ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকার বেশি এবং প্রতিবন্ধী করদাতার আয় ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি হতে হবে।







কখন জমা দিতে হয় ?

আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় হচ্ছে জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত। সাধারণত প্রতি অর্থবছরের এই পাঁচ মাস জরিমানা ছাড়া বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যায়। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ব্যক্তি করদাতারা আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। আয়কর মেলাতেও আয়কর রিটার্ন দাখিল করা যায়। রিটার্ন দাখিলের সময় করদাতা বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাসেও রিটার্ন দাখিল করতে পারেন।


অনলাইনে যেভাবে আয়কর রিটার্ন

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার পাশাপাশি ঘরে বসেই সনদ, আয়কর রিটার্নের কপি সংগ্রহ করা যায়। রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ানোর আবেদনও করা যায়। অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য প্রথমেই etaxnbr.gov.bd লিংক বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে (https://nbr.gov.bd/) প্রবেশ করতে হবে। এবার ই-রিটার্ন অপশন নির্বাচন করে নিজের ফোন নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। নম্বরটি যাচাইয়ের জন্য ছয় অক্ষরের একটি ওটিপি কোড আসবে ফোনে।




কোডটি জমা দেওয়ার পর অ্যাকাউন্টের জন্য পাসওয়ার্ড দিতে হবে। পাসওয়ার্ড অবশ্যই শক্তিশালী হতে হবে। নিবন্ধন করার সঙ্গে সঙ্গে আপনার একটি ই-রিটার্ন অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে। নিবন্ধন হয়ে গেলে সাইন ইন করতে হবে। যাঁদের করযোগ্য আয় নেই বা ‘জিরো ট্যাক্স’, তাঁরা প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। যাঁদের করযোগ্য আয় রয়েছে, তাঁদের কর দিতে হবে। এ জন্য ওয়েবসাইট থেকেই জেনে নেওয়া যাবে কর বা রেয়াতের পরিমাণ, রিটার্নের সঙ্গে কত টাকা জমা দিতে হবে ইত্যাদি তথ্য। ‘প্রাপ্তিস্বীকার’ স্লিপটি ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে হবে।




আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুবিধা  কি ?

নির্দিষ্ট সময় আয়কর জমা না দিলে জরিমানাসহ বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হতে পারে। জমি নিবন্ধন থেকে শুরু করে ইউটিলিটি সংযোগ, ক্রেডিট কার্ডসহ ৩৮টি সেবা পেতে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। যাঁদের টিআইএন নম্বর আছে, তাঁদের অবশ্যই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। তবে বাৎসরিক আয় করযোগ্য না হলে কর দিতে হবে না।




অনেকেরই ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নম্বর বা টিআইএন নেই। কেউ আবার প্রথমবারের মতো টিআইএন খুলতে চাচ্ছেন। চাইলে টিআইএন তৈরি করা যায় অনলাইনে। জাতীয় পরিচয়পত্র, ফোন নম্বর বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে আরজেএসসি নম্বর থাকলেই অনলাইনে আয়কর নিবন্ধন করা যাবে।
আমাদের ব্লগটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ

আরো দেখুন



FAQS
  1. How do I prepare for income tax?
  2. What is tax audit in income tax?
  3. What is the most common tax?
  4. Which income tax return to file?


Tags
#all_bd_tech #eReturnsonline #অনলাইনেআয়করদেওয়ারসঠিকনিয়ম #zerotaxreturnforserviceholder #incometax2022 #আয়কররিটার্ন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ