Header Ads Widget

Responsive Advertisement

পাসপোর্ট আবেদন করার নিয়ম । অনলাইনে ই পাসপোর্ট আবেদন করার নিয়ম | নতুন পাসপোর্ট করার পদ্ধতি । ‍all bd tech

 পাসপোর্ট আবেদন করার নিয়ম । অনলাইনে ই পাসপোর্ট আবেদন করার নিয়ম | নতুন পাসপোর্ট করার পদ্ধতি


  • ভুমিকাঃ


দেশ এবং সংস্থান ভিত্তিক ভিন্নতা ধারণ করতে পারে। অনলাইনে নিজেই নিজের ই পাসপোর্টের আবেদন করার নিয়ম, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ব্যাংক ড্রাফট বা পাসপোর্ট ফি জমা দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কিত বিস্তারিত আলোচনা নিয়ে আজকের এই আয়োজন। আমি আমার নিজের ই-পাসপোর্ট এর জন্য যেভাবে আবেদন করেছিলাম এবং মাত্র ৭ দিনে পাসপোর্ট হাতে পাওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত ধাপগুলো এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদের জানাতে চলেছি।

You can also renew your passport as like new passport application process .Lets see about renewal of epassport application



দালাল ছাড়া পাসপোর্ট করা যায় না এমন একটি ভুল ধারণা আমাদের অনেকের মাঝেই কাজ করে। আপনার কাছে যদি একটি স্মার্টফোন অথবা কম্পিউটার থাকে তাহলে নিজে নিজেই অনলাইনের মাধ্যমে পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।



  • অনলাইনে ই পাসপোর্ট করার নিয়ম ২০২৩

ই পাসপোর্ট অনলাইনে আবেদন করার জন্য Bangladesh e-Passport Application Portal ওয়েবসাইট ভিজিট করুন- www.epassport.gov.bd এবং মেনু থেকে "Apply Online" অপশনটি বাছাই করে, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এবং থানা নির্বাচন করুন। একটি সচল ইমেইল এড্রেস এবং নিজের ব্যক্তিগত তথ্য সহ পিতা-মাতা তথ্য ও জরুরী যোগাযোগের ঠিকানা পূরণ করতে হবে। পাসপোর্টের মেয়াদ এবং ডেলিভারি ধরন নিশ্চিত করে আবেদনের কাজটি শেষ করতে হবে।




অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন করার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা সম্পর্কে জেনেছি, এখন আমরা জানবো কিভাবে ধাপে ধাপে এই আবেদন সম্পন্ন করতে হয়।

# আবেদন +ফরম পূরণ করার নিয়ম

ই পাসপোর্ট আবেদন ফরম অনলাইনে পূরণ করার জন্য ভিজিট করুন https://www.epassport.gov.bd/Site এরপর "Apply Online" মেনু থেকে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এবং পুলিশ স্টেশন নির্বাচন করে, আপনার ই-মেইল অ্যাড্রেস, ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা ও পিতা মাতার তথ্য দিয়ে ফরম পূরণ করুন। পাসপোর্টের মেয়াদ, পৃষ্ঠা সংখ্যা ও ডেলিভারি ধরন বাছাই করে আবেদন সম্পন্ন করুন এবং ই পাসপোর্ট আবেদন কপি প্রিন্ট করুন।


Account তৈরী ঃ
১.ভিজিট করুন e-Passport Portal ওয়েবসাইট https://www.epassport.gov.bd/
আবেদনের শুরুতেই আমাদের Bangladesh e-Passport Portal এ প্রবেশ করতে হবে। উপরের দেওয়া লিঙ্কটি অনুসরণ করলে নিচের ছবির মত একটি অয়েব সাইটে  নিয়ে যাবে, যেটি পাসপোর্ট সেবা 
প্রদানকারী সরকারি সাইট।

আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ও থানা নির্বাচন
যেহেতু  আমরা বাংলাদেশ থেকে পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে চলেছি সেজন্য Are you applying from Bangladesh? এর স্থলে "Yes" নির্বাচন করবো। আপনি যদি বাংলাদেশের বাইরে অর্থাৎ বিদেশ থেকে ই পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে চান সেক্ষেত্রে "No" সিলেক্ট করবেন।

এখন আপনাকে আপনার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের নাম এবং নিজ থানার নাম বাছাই করতে হবে। আপনার ঠিকানা অনুসারে যেই আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ই-পাসপোর্ট প্রদান করে থাকে সেটি বাছাই করুন।
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ও থানা নির্বাচন

পাসপোর্ট অফিস নির্বাচন করা হয়ে গেলে এর পরবর্তী ঘরে পুলিশ স্টেশনের নাম অর্থাৎ থানার নাম নির্বাচন করে দিতে হবে। মনে রাখতে হবে আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বা ভেরিফিকেশন কার্যক্রম থানায় সংঘটিত হবে।
#step -1

#create a new email and put here for account creation
#step-3: email verify

ইমেইল ভেরিফিকেশন
পাসপোর্ট অফিসে থেকে আপনাকে একটি লিংক পাঠানো হবে , ইমেইল থেকে উক্ত লিংকে ক্লিক করে ইমেইল ভেরিপাই ও লগ ইন করে নিন




#৪.ই-পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট তৈরি
ইমেইল এড্রেস ইনপুট করার পরবর্তী ধাপে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট পোর্টাল ওয়েবসাইটে একটি অ্যাকাউন্ট খুলে নিতে হবে। আপনার নাম জাতীয় পরিচয়পত্রে  যেভাবে আছে সেভাবে ইনপুট করতে হবে তারপর আপনার মোবাইল নম্বর ইনপুট করে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে।
lost passport recover how ?



#৫.পাসপোর্ট এর ধরন বাছাই
Passport Type এর ক্ষেত্রে আমরা সাধারণত দুই ধরণের পাসপোর্ট দেখতে পাই। একটি হলো অর্ডিনারি টাইপ পাসপোর্ট এবং অন্যটি হচ্ছে অফিসিয়াল টাইপ পাসপোর্ট।
পাসপোর্ট এর ধরন বাছাই
সাধারণ নাগরিক হিসেবে অনলাইনে ই পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে আমাদেরকে অর্ডিনারি টাইপ বাছাই করতে হবে।
Ordinary Passport
Official Passport



#৬.ই পাসপোর্ট ফরমে ব্যক্তিগত তথ্য ইনপুট





নতুন পাসপোর্ট আবেদন করার মূল কাজ শুরু হয় এখান থেকে। এ পর্যায়ে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য যেমন নিজের নাম, লিঙ্গ, পেশা, ধর্ম, দেশের নাম, জন্মস্থল(জেলার নাম) এবং জন্মতারিখ (dd-mm-yyyy) দিয়ে ১ম ফরমটি অনুশ্মরণ করতে হবে।


এই ফর্মটির প্রথমেই যদি টিক চিহ্ন করে দেয়া হয় তাহলে আবেদনকারীর নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে আসবে। ব্যক্তিগত তথ্য ইনপুট ফরমের সবচেয়ে নিচের দিকে নাগরিকত্বের সূত্র জানতে চাওয়া হবে। আমরা যেহেতু জন্মগতভাবে বাংলাদেশের নাগরিক, সে ক্ষেত্রে "BY BIRTH" অপশনটি নির্বাচন করে দেবো। এই ধাপটি সম্পন্ন হলে "Save and continue" বাটনে ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে চলে যেতে হবে।

৭.ঠিকানা নির্বাচন ও ই পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন
ই পাসপোর্ট করার নিয়ম গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে পুলিশ ভেরিফিকেশন। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বা ভেরিফিকেশনের জন্য ব্যক্তির বর্তমান ঠিকানা সঠিক ভাবে ইনপুট করতে হয়। জাতীয় পরিচয় পত্রের পেছনের অংশে থাকা ঠিকানা অনুসারে ঠিকানার তথ্য পূরণ করা উচিত।

ঠিকানা নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিচের পয়েন্ট গুলো খেয়াল রাখবেনঃ-
  • জেলার নাম
  • থানার নাম
  • গ্রামের নাম
  • রোড নাম্বার
  • পোস্ট অফিস
  • পোস্ট কোড


প্রত্যেকটি তথ্য যচাই বাছাই করে সঠিক ভাবে দেয়ার চেষ্টা করবেন। বিশেষ করে ঠিকানার বিষয়টি একটু গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। কেননা আপনার দেয়া এই ঠিকানায় পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। আপনার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা একই হলে "Present Address same as Permanent" এটি নির্বাচন করে দিলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানায় একই ঠিকানা বসে যাবে।

বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা ভিন্ন হলে আপনার ঠিকানা আলাদা ভাবে ইনপুট করে দিতে হবে। ঠিকানা দুটি ভিন্ন হলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বা থানা ভেরিফিকেশন উভয় ঠিকানায় হবে।

#৮.ID documents
এই ধাপে আপনার আগের কোন পাসপোর্ট ছিল কিনা এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হবে। আপনার আগে যদি কোন MRP Passport বা ই পাসপোর্ট থেকে থাকে তা হলে সেটি নির্বাচন করে দিতে হবে। আর যদি একেবারে নতুন পাসপোর্ট আবেদন হয় তা হলে "No, I don't have any previous passport" এটি সিলেক্ট করতে হবে। যাদের হাতের লিখা পাসপোর্ট ছিলো তারাও এটি নির্বাচন করবেন।

আপনার যদি অন্য কোন দেশের পাসপোর্ট থেকে থাকে সে ক্ষেত্রে আপনার ঐ পাসপোর্ট সম্পর্কে তথ্য দিয়ে হবে। ধরে নিলাম আপনার অন্য কোন দেশের পাসপোর্ট নেই। তাই উপরে দেখান ছবির মত অন্য দেশের পাসপোর্ট সম্পর্কে জানতে চাওয়ার ঘরে "No, I don't have" নির্বাচন করবেন।


ID Documents এর সর্বশেষ ঘরে বেক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার ইনপুট করতে হবে। আবেদনকারীর বয়স ২০ বছরের কম হলে NID card অথবা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন নাম্বার ব্যাবহার করতে পারবে। তথ্য প্রদান হয়ে গেলে সেইভ বাটনে চেপে পরবর্তী ধাপে জেতে হবে।
Passport vacand verify process


#৯.Parental information
এখন আপনাকে আপনার পিতা মাতার তথ্য প্রদান করতে বলা হবে। ই পাসপোর্টের Parental information স্থলে পিতা-মাতার নাম, তাদের পেশা, তাদের জাতীয়তা ও জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম্বার দিয়ে ফরমটি পূরণ করতে হয়।
বাবা-মায়ের যে সকল তথ্য অনলাইনে ই পাসপোর্ট আবেদন করতে প্রয়োজন তা লিস্ট আকারে উপস্থাপন করা হল




পিতার নাম (same as NID card) 
পেশা
পিতার  জাতীয়তা ও
NID Card Number
মাতার নাম (same as NID card) 
পেশা
মাতার জাতীয়তা ও
NID Card Number


#১০.বৈবাহিক অবস্থা
আবেদনকারীর বৈবাহিক অবস্থা অনুসারে বিবাহিত না অবিবাহিত এই তথ্য জানাতে চাওয়া হবে। এই পর্যায়ে আপনি Marital Status বাছাই করার জন্য একটি ড্রপ-ডাউন মেনু পাবেন। ড্রপ-ডাউন অপশন গুলো থেকে আপনার জন্য যেটি প্রযোজ্য তা বাছাই করুন।

বৈবাহিক আবস্থার ঘরে SINGLE, MARRIED, DIVORCED,WIDOWER or WIDOW এই অপশন গুলো থাকে। এখান থেকে আপনার অবস্থা অনুসারে একটি অপশন বাসাই করুন।



#১১.Emergency  Contact
জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করার জন্য একজনের তথ্য দিতে হবে। পরিবারের সদস্য যেমন বাবা, মা কিংবা ভাইয়ের ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার দিতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে যার সাথে যোগাযোগ করবে, তার ঠিকানা জাতীয় পরিচয়পত্রে যে ভাবে আছে সে ভাবে দেয়া ভালো।






পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর ক্ষেত্রে Emergency contact নাম্বারে যোগাযোগ করা হয়। তা ছাড়া কোন কারণে আপনার সাথে যোগাযোগ করতে বার্থ হলে এই ঠিকানা বা মোবাইল নাম্বার ব্যাবহার করা হবে।




#১২.পাসপোর্টের ধরন
Passport Option বা পাসপোর্টের ধরনে আপনি  আপনার পাসপোর্টের পৃষ্ঠা ও মেয়াদ বাছাই করতে পারেন। আপনার বিদেশ ভ্রমণ ও প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠা আনুসারে ৪৮ পৃষ্ঠা কিংবা ৬৪ পৃষ্ঠার যে কোন একটি বাছাই  করুন। আপনি যদি খুব বেশি ট্রাভেল করে থাকেন থাহলে ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট নিতে পারেন। অন্যথা ৪৮ পৃষ্ঠাই যথেষ্ট।
পাসপোর্টের ধরন । 


পাসপোর্টের ধরন বাছাই:

পৃষ্ঠা সংখ্যা নির্ধারণ হয়ে গেলে ই-পাসপোর্টের মেয়াদ সিলেক্ট করতে হবে। ৫ বছর কিংবা ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট করা যায়। আপনার কাজের উপর ভিত্তি করে পাসপোর্ট এর মেয়াদ নির্বাচন করুন। মনে রাকবেন পৃষ্ঠা সংখ্যা ও মেয়াদের উপর ই পাসপোর্ট ফি নির্ধারিত হবে।




#১৩.ডেলিভারির ধরন
পাসপোর্ট ডেলিভারি ৩ ধরনের হয়ে থাকে রেগুলার, এক্সপ্রেস এবং সুপার এক্সপ্রেস। জরুরি বা ইমেরজেন্সি পাসপোর্ট করতে Express Delivery বা Super Express বাছাই করতে পারেন।
Regular Delivery



রেগুলার ডেলিভারিতে পাসপোর্ট হাতে পেতে সাধারণত ১৫ দিন থেক ২০ দিন সময় লাগে। অন্যান্য বিষয় যেমন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ঠিক থাকলে ১৫ দিনের মধ্যেই ই-পাসপোর্ট হাতে চলে আসে।
Express Delivery
যারা জরুরি কাজে বিদেশ যাবে, আল্প সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট হাতে পেতে হবে, তাদের জন্য এক্সপ্রেস ডেলিভারি অপশন। সাধারণত ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যেই Express Delivery তে পাসপোর্ট পাওয়া যায়।
Super Express
এটি অনলাইনে করা যায় না। সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি পাওয়ার জন্য পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করতে হয়। তার সাথে সাথে Pre-Police verification এর প্রয়োজন হয়। এতে ৭ দিনের ও কম সময়ে পাসপোর্ট বের হয়ে যায়।

note: ডেলিভারির ধরনের উপর পাসপোর্ট ফি কম বেশি হয়ে থাকে।


#১৪.ই-পাসপোর্ট ফি প্রদান
আবেদন সাবমিট করার আগে আবেদন সামারি থেক আপনার তথ্য গুলো পুনরায় যাচাই করে নিন। সবকিছু ঠিক থাকলে পাসপোর্ট ফি প্রদান করার পেজে চলে আসবেন। বর্তমানে ই পাসপোর্ট ফি ২ ভাবে প্রদান করা যায়।
Online Payment
Offline Payment


ই পাসপোর্ট অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে ফি প্রদান করার জন্য যেকোন মোবাইল ব্যাংকিং, ই-ওয়ালেট, ইন্টারনেট ব্যাংকিং অথবা কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন। অনলিনে ফি প্রদানের ক্ষেত্রে আল্প কিছু চার্জ প্রযোজ্য হয়। অনলাইন পেমেন্ট শেষে পেমেন্ট স্লিপ প্রিন্ট করে নিতে হবে।



ই পাসপোর্ট ফি অনলাইন পেমেন্ট





অনলাইন ই পাসপোর্ট ফি প্রদান
অফলাইনে পেমেন্ট করার ক্ষেত্রে পাসপোর্ট ফি জমা নেয় এমন ব্যাংক গিয়ে ব্যাংক ড্রাফট করতে হবে। ব্যাংক ড্রাফট করার জন্য আপনার আপ্লিকেশন সামারি সাথে করে নিয়ে জেতে হবে। অফলাইনে পাসপোর্ট ফি জমা দিয়ে আতরিক্ত কোন টাকা দিতে হয় না। সোনালী ব্যাংক  সহ আরো সকল ব্যাংক ই পাসপোর্ট ফি জমা নেয়।


#১৫.আবেদন কপি ও অ্যাপ্লিকেশন সামারি প্রিন্ট
পাসপোর্টের আবেদনটি সঠিকভাবে সাবমিট হয়ে গেলে আপনি আবেদনের কপি এবং Application summery প্রিন্ট


 অথবা pdf আকারে সংগ্রহ করতে হবে।




পাসপোর্টের আবেদন কপি প্রিন্ট
পাসপোর্ট আবেদন কপি ও অ্যাপ্লিকেশন সামারি প্রিন্ট
অনলাইন আবেদন এবং পাসপোর্ট ফি প্রদান হয়ে গেলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাথে

পাসপোর্ট করতে কি কি কাগজপত্র লাগে ? ,complete Passport document 2023,






 নিয়ে আঞ্চলিক পাসপোর্ট আফিসে যেতে হবে। পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করে আপনার বায়মেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করবে। তারপর আপনাকে পাসপোর্ট ডেলিভারি স্লিপ দেয়া হবে। এই ডেলিভারি স্লিপ পরবর্তী সময়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে কাজে লাগবে।



#১৬.ই পাসপোর্ট সংগ্রহ
এখন শুধু অপেক্ষার পালা। পুলিশ ভেরিফিকেশন বা ক্লিয়ারেন্সের জন্য আপনাকে থানায় ডাকা হতে পারে অথবা পুলিশ সদস্য আপনার এলাকায় যেতে পারে। পাসপোর্ট তৈরি হয়ে গেলে আপনার মোবাইলে SMS এর মাধ্যমে তা জানিয়ে দেয়া হবে।




ই পাসপোর্ট হয়ে গেলে আপনাকে আবার পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে, ডেলিভারি টোকেন দেখিয়ে আপনার পাসপোর্টটি সংগ্রহ করতে হবে।
ই পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম
পাসপোর্ট পোর্টালের হোম পেজ থেকে 'CHECK STATUS" টেবে যেতে হবে। তারপর Online Registration ID (OID) অথবা Application ID ও জন্ম তারিখ দিয়ে পাসপোর্টের বর্তমান স্ট্যাটাস চেক করতে পারবেন।





ই পাসপোর্ট সম্পর্কিত FAQ
প্রশ্ন: জরুরি ই পাসপোর্ট করতে কত দিন লাগে?
উত্তর :৭ দিন কিন্ত অতি জরুরী ২ দিন

জরুরী বা দ্রুত পাসপোর্ট করার জন্য করণীয়
 Express Delivery  apply 

MRP to E Passport করবো কি করে?
আপনার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে বা মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (MRP) থেকে ই-পাসপোর্ট করার জন্য নতুন পাসপোর্টের মতই আবেদন করতে হয়। তবে এ ক্ষেত্রে ভিন্নতা হলো ID Documents এর স্থলে আপনার MRP পাসপোর্টের তথ্য দিতে হবে।





পাসপোর্ট আবেদনে ভুল হলে করনীয় কি?
পাসপোর্টের ফি প্রদান করার আগ পর্যন্ত ই পাসপোর্ট আবেদন সংশোধন করা যায়। চাইলে আবেদন বাতিল করে আবার নতুন করে আবেদন করা যাবে। তবে অনলাইন পেমেন্ট করা হয়ে গেলে সেটি বাতিল করে আবার করার ক্ষেত্রে টাকা ফেরতের সুযোগ নেই।




court affidate for passport data correction: 

  • অনলাইনে পাসপোর্ট করার নিয়ম ও পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৪
  • নতুন নিয়মে ই-পাসপোর্টের আবেদন করবেন যেভাবে ?
  • পাসপোর্ট করতে হলে কি কি লাগে?
  • পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে কত টাকা লাগে?
  • ১০ বছর মেয়াদি ই পাসপোর্ট ২০২৪ কত টাকা?
  • পাসপোর্ট করার উপায় : কোথায় করবেন, কি লাগবে ও খরচ ?
  • ই পাসপোর্ট আবেদন ফরম pdf 
  • পাসপোর্ট করার নিয়ম ও খরচ ২০২৪
  • ই পাসপোর্ট আবেদন করার নিয়ম ?
  • পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ?
  • পাসপোর্ট আবেদন অনলাইন ?
  • পাসপোর্ট আবেদন ফরম ডাউনলোড কিভাবে ?
  • পাসপোর্ট করার নিয়ম ২০২৪ ?
  • অনলাইন পাসপোর্ট আবেদন ফরম পুরনের নিয়ম ?
  •  পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ?
  • ই-পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন করার পর কী কী করতে হবে? পেমেন্ট কিভাবে ?
  • নতুন পাসপোর্ট আবেদন করার কতো দিন পর পাসপোর্ট হাতে পাবো? 
  • ই-পাসপোর্ট এর আবেদন অনলাইন থেকে মুছে ফেলার নিয়ম ?

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ