নতুন ভোটার হওয়ার নিয়ম । how to apply for new voter registration । নতুন ভোটার নিবন্ধনে করণীয়
ভুমিকাঃ
আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন চাকরী,প্রবাস,ব্যক্তিগত কারণে যারা সময় মত নতুন ভোটার নিবন্ধন করতে পারেননি।এমনকি তারা জানে না নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম কি এবং নতুন ভোটার হতে প্রয়োজনীয় কাগজগুলো কি ? নতুন ভোটার হতে কত দিন লাগে? নতুন ভোটার হওয়ার পর এনআইডি নম্বর কিভাবে পাবেন এবং অনলাইন থেকে নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখবেন বা ডাউনলোড করবেন এ সব কিছু সম্পর্কে সম্পূর্ণ পুর্ণ তথ্য দেয়ার চেষ্টা করবো।
ভোটার ২ ভাবে হওয়া যায়
- অফিস কতৃক হালনাগাদ কার্যক্রম এর মাধ্যমে
- ব্যাক্তিগত উদ্যেগে আবেদন করে
নতুন ভোটারআইডি কার্ড করার জন্য আবেদনকারীর বয়স
নতুন ভোটার নিবন্ধন বা নতুন ভোটার আইডি কার্ড করতে হলে আবেদনকারীর/ আপনার বয়স ১৮ বছরের কম-বেশি যাই হোক কোন সমস্যা হবে না । তবে ১৮ বছরের কম হলে আপনি নতুন ভোটার আইডি কার্ড পাবেন কিন্ত ভোট দিতে পারবেন না। যখন বয়স ১৮ বছর হয়ে যাবে তখন এমনিতেই ভোটারতালিকায় নাম চলে আসবে এবং ভোট দিতে পারবেন।
নতুন ভোটারআইডি কার্ড করার আবেদন পদ্ধতি :-
নতুন ভোটার নিবন্ধন করার জন্য দুইভাবে আবেদন করা যায়।
১। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন র্বা অফিসে গিয়ে ২ নং নতুন ভোটার নিবন্ধন ফরম সংগ্রহ করতে হবে। ভোটার নিবন্ধন ফরমটি পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ফরমের সাথে পিনআপ করে অফিসে জমা দিতে হবে। প্রতিটি ২ নং নতুন ভোটার নিবন্ধন ফরমে একটি করে ইউনিক নম্বর থাকে যার মাধ্যমে আবেদনকারীর তথ্যাদি যাচাই করা যায়। তাই ভোটার নিবন্ধন ফরমটি ফটোকপি করে একাধিক ব্যক্তি ব্যবহার করা যাবে না বা কোন ফটোকপির দোকান থেকে এই ফরম সংগ্রহ করবেন না। আবেদন করার পর উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রেজিস্ট্রেশন অফিসার আপনার আবেদনটি যাচাই করে সকল তথ্য ও কাগজপত্র সঠিক পেলে নতুন ভোটার
করার অনুমোদন দেবেন।
- How to find old nid to smart nid
- ভোটার আইডির তথ্য যাচাই,ভোটার তথ্য
- NID Face Scan এখন আরো সহজে
- ভোটার আইডি সংশোধন মোবাইল দিয়ে
- ভোটার আইডি সংশোধন,ডকুমেন্ট/ফাইল
- ভোটার আইডি রিইসু GD লাগবে না
- NID অ্যাপ্লিকেশান পেন্ডিং সমাধান
- NID তে নাম সংশোধন ,National Id correction
- জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন,NID Correction
- কখন । কিভাবে । কোথা থেকে NID সংগ্রহ করবেন
২। অনলাইনে নতুন ভোটার হওয়া র আবেদন করা যায়। বাংলাদেশ নির্বা চনর্বা কমিশনেরওয়েবসাইট www.services.nidw.gov.bd এই ঠিকানায় গিয়ে নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন দাখিল করলে ২ নং নতুন ভোটার নিবন্ধন ফরম ডাউনলোড হয় সেটি প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ফরমের সাথে সংযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হবে। উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রেজিস্ট্রেশন অফিসার আপনার আবেদন ও প্রদানকৃত কাগজপত্র যাচাই করে সকল তথ্য সঠিক পেলে নতুন ভোটারের অনুমোদন দেবেন।
নতুন ভোটার ফরম ফিলাপ করার নিয়ম/আবেদনের নিয়ম
২য় ধাপঃ আবেদন ফরম পূরণ
- How to find old nid to smart nid
- ভোটার আইডির তথ্য যাচাই,ভোটার তথ্য
- NID Face Scan এখন আরো সহজে
- ভোটার আইডি সংশোধন মোবাইল দিয়ে
- ভোটার আইডি সংশোধন,ডকুমেন্ট/ফাইল
- ভোটার আইডি রিইসু GD লাগবে না
- NID অ্যাপ্লিকেশান পেন্ডিং সমাধান
- NID তে নাম সংশোধন ,National Id correction
- জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন,NID Correction
- কখন । কিভাবে । কোথা থেকে NID সংগ্রহ করবেন
৩য় ধাপঃ আবেদন কাপিতে ৩৩ নং-৪১ নং ঘরে সিল স্বাক্ষর নেয়া
নতুন ভোটার নিবন্ধন ফরমে গুরুত্বপূর্ণ কাজ
অফলাইন/অনলাইনে আবেদন শেষে, কয়েকটি কমন কাজ রয়েছে তা হচ্ছে,
- ২ নং নতুন ভোটার নিবন্ধন ফরমের পিছনের পাতায় ৩৪ নং ক্রমিকে শনাক্তকারীর NID
- ও ৩৫ নং ক্রমিকে স্বাক্ষর এই দুটি স্থানে আপনার প্রতিবেশী বা অন্য যেকোন একজন পরিচিত ব্যাক্তির NID Number লিখতে হবে এবং তার স্বাক্ষর নিতে হবে।
- পিতা-মাতা এবং স্বামী/স্ত্রীর এনআইডি নম্বর না ব্যবহার করাই ভালো। কারণ তাদের NID Number ফরমের প্রথম পাতায় লেখা থাকবে।
- ফরমে ৪০ নম্বর ক্রমিকে যাচাইকারীর নাম লিখতে হবে। যাচাইকারী অবশ্যই একজন জনপ্রতিনিধি হতে হবে। যেমন- চেয়ারম্যান/ভাইস চেয়ারম্যান/মেম্বর/মহিলা মেম্বর/ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইত্যাদি। যাচাইকারীর নামের স্থানে কোন সাধারণ মানুষের নাম না লেখাই ভালো। এতে নতুন ভোটারের আবেদন বাতিল হতে পারে।
- আবেদনপত্রের ৪১ নং ক্রমিকে যাচাইকারীর NID Number লিখতে হবে
- এবং ৪২ নং ক্রমিকে যাচাইকারী স্বাক্ষর করবেন এবং অবশ্যই সীল ব্যবহার করবেন।
৪র্থ ধাপঃ কাগজ পত্র
নতুন ভোটার হতে কি কি কাগজপত্র লাগে ?
- How to find old nid to smart nid
- ভোটার আইডির তথ্য যাচাই,ভোটার তথ্য
- NID Face Scan এখন আরো সহজে
- ভোটার আইডি সংশোধন মোবাইল দিয়ে
- ভোটার আইডি সংশোধন,ডকুমেন্ট/ফাইল
- ভোটার আইডি রিইসু GD লাগবে না
- NID অ্যাপ্লিকেশান পেন্ডিং সমাধান
- NID তে নাম সংশোধন ,National Id correction
- জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন,NID Correction
- কখন । কিভাবে । কোথা থেকে NID সংগ্রহ করবেন
- অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (বাধ্যতামূলক)
- এসএসসি/সমমান সনদ। প্রয়োজনে এসএসসি সনদের সাথে সর্বশের্বষ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদটি জমা দিতে পারেন। যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নেই তাদের ক্ষেত্রে জমা দেয়ার প্রয়োজন নেই।
- পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের কপি।
- বিবাহিত হলে স্বামী/স্ত্রীর এনআইডি কপি এবং কাবিননামা/বৈবাহিক সনদ।
- র'ক্তের গ্রুপ পরীক্ষার রিপোর্ট। এটি বাধ্যতামূলক না তবে জমা দিতে পারলে ভালো।
- চেয়ারম্যান/পৌর মেয়র/ওয়ার্ড মেম্বর/ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র।
- নাগরিকত্বের সনদ (বাধ্যতামূলক)।
- বিদ্যু ৎ বিল/পানি বিল/গ্যাস বিলের কপি (বাধ্যতামূলক)। বাড়ীর যেকোন একজন সদস্যের নামে হলেই হবে।
- চৌকিদারী ট্যাক্স রশিদ/পৌর করের রশিদ/বাড়ী ভাড়ার রশিদ (বাধ্যতামূলক)। বাড়ীর যেকোন একজন সদস্যের নামে হলেই হবে।
- পূর্বে ভোটার হননি মর্মে অর্মে ঙ্গীকারনামা। যাদের বয়স অনেক বেশি তা দের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক।
- পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে )।
- ড্রাইভিং লাইসেন্সের কপি (যদি থাকে)।
উপরোক্ত কাগজপত্রগুলোর মধ্যে যেসব কাগজপত্র আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সেগুলো আবেদনের সাথে জমা দেবেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন অফিসারের পরামর্শ অনুযায়ী কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।
৫ম ধাপঃ আবেদন জমাদান
সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন অফিসার আবেদনটি অনুমোদন দেয়ার পর- আপনার ছবি,
- স্বাক্ষর,
- দশ আঙ্গুলের ছাপ
- ও চোখের আইরিশ স্ক্যান করে নেয়া হয়।
৬ষ্ঠ ধাপঃ নিবন্ধন স্লিপ সংগ্রহ
৭ম ধাপঃ আইডি সংগ্রহ/ডাউনলোড
এনআইডি নম্বর/ভোটার আইডি কার্ডেরর্ডে নম্বর পাওয়া পর অনলাইন থেকে নতুন ভোটারদের এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করা যায়। কার্ডটির্ড ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে লেমিনেটিং করে নিতে হবে। এটি দিয়ে সব কাজই করা যাবে। নতুন ভোটারদের স্মার্ট এনআইডি কার্ড আসলে সংশ্লিষ্ট নির্বা চনর্বা অফিস থেকে বিতরণ করা হয়।
- How to find old nid to smart nid
- ভোটার আইডির তথ্য যাচাই,ভোটার তথ্য
- NID Face Scan এখন আরো সহজে
- ভোটার আইডি সংশোধন মোবাইল দিয়ে
- ভোটার আইডি সংশোধন,ডকুমেন্ট/ফাইল
- ভোটার আইডি রিইসু GD লাগবে না
- NID অ্যাপ্লিকেশান পেন্ডিং সমাধান
- NID তে নাম সংশোধন ,National Id correction
- জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন,NID Correction
- কখন । কিভাবে । কোথা থেকে NID সংগ্রহ করবেন
শেষকথা
আশা করি ভোটার হওয়ার সকল ধাপ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পেরেছি । তারপরেও নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম বা নতুন ভোটার নিবন্ধন সম্পর্কে যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্টস করবেন। আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো। পোষ্টটি ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো। ধন্যবাদDownload Necessary Forms
Laws and Rules for NID Correction
১। নিজ পিতা/স্বামী/মাতার নাম সংশোধন-
আবেদন পত্রের সাথে যেসব দলিলাদি (এক বা একাধিক) দাখিল করতে হবে
> এস.এসসি/সমমান সনদ
> নাগরিকত্ব সনদ
> জন্ম সনদ
> চাকুরীর প্রমাণপত্র
> পাসপোর্ট
> নিকাহনামা
> পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত দলিলাদি অবশ্যই সত্যায়িত হতে হবে
সাধারণতঃ প্রাপ্তিস্বীকারপত্রে উল্লিখিত তারিখে সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়
২। নিজের নাম পরিবর্তন
ডাক নাম বা অন্য নামে নিবন্ধিত হলে সংশোধনের জন্য আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে
> এস.এস.সি/সমমান সনদের সত্যায়িত ফটোকপি
> বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি
> ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট
> জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের কপি।
পরবর্তীতে কাগজপত্রের মূলকপি সহ ব্যক্তিগত শুনানীর জন্য উপস্থিত হতে হবে।
৩। বিবাহ/বিবাহবিচ্ছেদের কারণে সংশোধণ-
> বিবাহের কারণে স্বামীর নাম অন্তর্ভুক্ত করতে চাইলে- কাবিননামা ও স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি দাখিল করতে হবে।
> বিবাহ-বিচ্ছেদের কারণে স্বামীর নাম বাদ দিতে চাইলে- তালাকনামার সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে।
সাধারণতঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লিখিত তারিখে সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়।
৪। পিতা/মাতার নাম পরিবর্তন-
পিতা/মাতার নাম আমূল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আবেদনের সাথে জমাদিতে হবে
> এসএসসি/এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার সনদপত্র/রেজিস্ট্রেশন কার্ড
> পিতা/মাতার পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি
> পিতামাতামৃত হলে অন্যান্য ভাইবোনের পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি
> অন্য কোন গ্রহণযোগ্য কাগজের সত্যায়িত কপি
প্রকল্প কাৰ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকর্তৃক সাক্ষাতকার গ্রহণ করা প্রয়োজন হতে পারে।
৫। জন্মতারিখ সংশোধন-
যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম এসএসসি/সমমান
> তাদের জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে
> বয়সের পার্থক্য অস্বাভাবিক না হলে প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লেখিত তারিখে সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়।
> অস্বাভাবিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সনদের মূল কপি প্রদর্শনকিংবা ব্যক্তিগত শুনানীতে অংশ নেয়া প্রয়োজন হতে পারে।
যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা অনূর্ধ এসএসসি/সমমান তাদের জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র ইস্যু তারিখের আগের তারিখের
> সার্ভিস বুক/এমপিও’র কপি
> ড্রাইভিং লাইসেন্স
> জন্ম সনদ
> নিকাহনামা
> পাসপোর্টর কপি প্রভৃতি দাখিল করতে হবে
প্রকল্পকালিয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/প্রকল্প পরিচালক কর্তৃক সাক্ষাতকার গ্রহণ করা হয়, প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে সরেজমিনে তদন্ত করা হয়।
৬। বিবিধ সংশোধন-
জাতীয় পরিচয়পত্রে কোন নামের পূর্বে পদবী, উপাধি, খেতাব ইত্যাদি সংযুক্ত করা যাবে না।
> পিতা/স্বামী/মাতাকে "মৃত" উল্লেখ করতে চাইলে মৃত্যু সনদ দাখিল করতে হবে
> জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে "মৃত" হিসেবে উল্লেখ করার কারণে
পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্রের কপি দাখিল করতে হবে।
- How to find old nid to smart nid
- ভোটার আইডির তথ্য যাচাই,ভোটার তথ্য
- NID Face Scan এখন আরো সহজে
- ভোটার আইডি সংশোধন মোবাইল দিয়ে
- ভোটার আইডি সংশোধন,ডকুমেন্ট/ফাইল
- ভোটার আইডি রিইসু GD লাগবে না
- NID অ্যাপ্লিকেশান পেন্ডিং সমাধান
- NID তে নাম সংশোধন ,National Id correction
- জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন,NID Correction
- কখন । কিভাবে । কোথা থেকে NID সংগ্রহ করবেন
৭। রক্তের গ্রুপ সংশোধন-
রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে হলে মেডিকেল প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
৮। ঠিকানা সংশোধন-
ঠিকানা পরিবর্তনের বিষয়ে ফরম-১৩/ফরম-১৪ এ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।
> প্রকল্প অফিসে ভোটার এলাকা পরবর্তন ছাড়া শুধু ঠিকানায় নম্বর বা বানান ভুল থাকলে তা সংশোধন করা হয়।
> এজন্য পরিবারের কোন সদস্যের পরিচয়পত্রের কপি
> গ্যাস/বিদ্যুৎ/টলিফোন বিলেরকপি,করআদায়েরকপি
> চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কমিশনারের প্রত্যয়নপত্র ইত্যাদি দাখিল করতে হবে।
৯। হালনাগাদ কর্মসূচীর সংশোধন/পুনঃ ইস্যু-
২০০৯ সালে হালনাগাদ কর্মসূচীতে যাদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তৰ্ভূক্ত করা হয়েছে তাঁদের জাতীয় পরিচয়পত্র কোন ভুল থাকলে বা হারিয়ে গেলে ডিসেম্বর, ২০১০ মাসের পর যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হল।
১০। সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ
বিতরণের জন্যনিরিত তারিখের ৭(সাত) দিনের মধ্যে কাউন্টার হতে সংশোধিত পরিচয়পত্র গ্রহণ করা না হলে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।
১১। হারানো পরিচয়পত্রের ডুপ্লিকেট ইস্যু-
> পরিচয়পত্র হারানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট থানায় ভোটার নম্বর/আইডি নম্বর উল্লেখ করে জিডি করে তার মূল কপিসহ সাদা কাগজ/সরবরাহকৃত ছকে আবেদনপত্র নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকার পত্র গ্রহণ করতে হবে।
> প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লিখিত ডুপ্লিকেট পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়। নম্বর ভুল হলে ডুপ্লিকেট পরিচয়পত্র ইস্যুকরণ সময় সাপেক্ষ।
> বিতরণের জন্য নির্ধারিত তারিখের ৭(সাত) দিনের মধ্যে কাউন্টার হতে ডুপ্লিকেট পরিচয়পত্র গ্রহণ করা না হলে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।
sourec -nidw.gov.bd
![]() |
| ibrahim khalil |
Writter
Ibrahim khalil
and the owner of ALL BD TECH
- নতুন ভোটার হতে কি কি লাগে ?
- ভোটার হওয়ার নতুন নিয়ম ২০২৪?
- এনআইডি (NID) করতে কি কি লাগে?
- নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন
- নতুন ভোটার হতে কি কি কাগজ লাগে ২০২৪
- নতুন ভোটার হতে কতদিন সময় লাগে ?
- নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন ফরম
- অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম
- ভোটার হতে কি কি লাগে ২০২৪
- নতুন ভোটার হওয়ার জন্য কি কি লাগবে ২০২৪













0 মন্তব্যসমূহ